সেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক হয়রানি কমানো এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় জেলা প্রশাসকদের ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান, নকশা, রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।এ ছাড়া নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা, অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি ও ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা পর্যালোচনা, দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত এবং সেবার ফি, প্রক্রিয়া ও সময়সীমা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম’ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে।
একই সঙ্গে অফিসের পরিচ্ছন্নতা, নথি সংরক্ষণ, নাগরিক সনদ, তথ্য বোর্ড ও সেবার মানদণ্ড হালনাগাদ রাখা, আইটি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভূমি আইন, বিধি ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করা, ‘ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র’-এর সংখ্যা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম তদারকি, আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, অগ্রগতি এবং গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ভূমিসেবার গুণগত মান আরও উন্নত করা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী ভূমি প্রশাসন গড়ে তোলাই এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।
