বিবিসি স্পোর্টকে টুখেল বলেন, ‘এটা (রেফারিং) যথেষ্ট ভালো ছিল না। রেফারিরা ভালো ছিলেন না, চতুর্থ কর্মকর্তাও ভালো ছিলেন না। এটাই বাস্তবতা।’
বিশেষ করে ভিএআরের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইংল্যান্ড কোচ। তার দাবি, যে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি বদলে দেওয়া হয়েছে, সেটি 'স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট ভুল' ছিল না। টুখেলের ভাষায়, ‘এটি এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে মাঠের রেফারি প্রথমে ফাউলই দেননি। তারপরও ভিএআর হস্তক্ষেপ করে সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছে। এটি স্পষ্ট ভুল ছিল না।’
ভিএআরের কর্মকর্তাদের নিয়েও আপত্তি জানান টুখেল, ‘এমন একটি ম্যাচে যদি ভিএআরে দক্ষিণ আমেরিকার তিনজন কর্মকর্তা থাকেন, তাহলে সেটিও প্রশ্নের জন্ম দেয়।’
তবে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও দলের লড়াইয়ের প্রশংসা করতে ভোলেননি ইংল্যান্ড কোচ, যে দলের হৃদয় আর বিশ্বাস আছে, সেটি এই দল। তারা শুধুই অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে জিতেছে। অসংখ্য প্রতিকূলতা কাটিয়ে আমরা জয় পেয়েছি। দলের জন্য আমি ভীষণ গর্বিত।
এর আগে ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনও রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। ফলে একই ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ইংল্যান্ড শিবির থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন উঠল।
তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই থেমেছে ৩-২ ব্যবধানে। স্বাগতিক মেক্সিকোকে আজতেকা স্টেডিয়ামে হারিয়েই শেষ আট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। সেমির পথে তাদের বাধা হতে যাচ্ছে আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে।
