এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। একই সঙ্গে মা ফাতেমা তুজ জোহরাকে চাকরির আশ্বাস দেন তিনি।জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ফাতেমার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। এর ঠিক দুই সপ্তাহ পর জানতে পারেন, তার ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসান ক্যানসারে আক্রান্ত। এর সাত মাস পর স্বামীকেও হারান তিনি।একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রবেশ করার পর অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের গ্রহণ করেন। তিনি জিসানকে (তার সন্তান) কাছে ডেকে নেন এবং পরম স্নেহে তার খোঁজ-খবর নেন। পূর্ববর্তী একটি অনুষ্ঠানে জিসানকে কাছে না পাওয়ার আক্ষেপ থেকেই প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে তাদের বিশেষভাবে ডেকে পাঠান।তিনি জানান, জিসানের সঙ্গে ছবি তোলার সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আনন্দিত ছিলেন। তিনি হাসিমুখে জিসানের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং তাকে মাথা সোজা করে দাঁড়ানোর জন্য বলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই অনন্য সাধারণ অমায়িকতা, তৃণমূল মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সাধারণ মানুষের কথা শোনার মানসিকতা তাদের মন জয় করেছে বলে তিনি সাক্ষাৎকারে ব্যক্ত করেন।
